জুলাইয়ে অভ্যুত্থানের ২০২৪ সালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত পলাতক ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে কীভাবে ফেরত আনা হবে— এমন প্রশ্নই এখন আলোচিত। সরকারের আইন উপদেষ্টা বলছেন, ভারতে চিঠি দেওয়া হবে। আর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে ভারতকে তাদের ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। অপরদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বলছেন, পলাতকদের ফেরত আনার দুটি পথ রয়েছে। এছাড়া আইনি পথও দেখিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল। সোমবার (১৭ নভেম্বর) মানবতাবিরোধী অপরাধে হাসিনা ও কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ…
জুলাইয়ে অভ্যুত্থানের ২০২৪ সালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত পলাতক ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে কীভাবে ফেরত আনা হবে— এমন প্রশ্নই এখন আলোচিত।
সরকারের আইন উপদেষ্টা বলছেন, ভারতে চিঠি দেওয়া হবে। আর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে ভারতকে তাদের ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। অপরদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বলছেন, পলাতকদের ফেরত আনার দুটি পথ রয়েছে। এছাড়া আইনি পথও দেখিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) মানবতাবিরোধী অপরাধে হাসিনা ও কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
রায়ের পর প্রতিক্রিয়া জানান চিফ প্রসিকিউটর ও আইন উপদেষ্টা। বিজ্ঞপ্তি দেয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আজকের রায়ে পলাতক আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল জুলাই হত্যাকাণ্ডের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিদের দ্বিতীয় কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার শামিল। আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই— তারা যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে এটি ভারতের জন্য অবশ্য পালনীয় দায়িত্বও বটে।
আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সচিবালয়ে বলেন, আমি আজকে আরেকটি কথা বলতে চাই, সেটা হচ্ছে আমরা শেখ হাসিনাকে এ দেশে প্রত্যর্পণের জন্য ভারতের কাছে আবার চিঠি লিখব। ভারত যদি এই গণহত্যাকারীকে আশ্রয় দেওয়া অব্যাহত রাখে, তাহলে ভারতকে বুঝতে হবে, বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে একটি শত্রুতা—একটি অত্যন্ত নিন্দনীয় আচরণ।
Leave a Reply